আমাদের স্কুলে আপনাকে স্বাগতম
মোঃ মনির হোসেন
সভাপতি
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
আবিরপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন একটি শিক্ষার আলো ছড়ানো প্রতিষ্ঠান, যা দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি গর্বিত যে, এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অংশগ্রহণ করতে পারছি।
শিক্ষা শুধু পরীক্ষা পাশের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি পরিপূর্ণ মানুষ গড়ার প্রক্রিয়া। তাই আমরা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি না- নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম এবং মানবিক গুণাবলির বিকাশেও আমরা গুরুত্ব দিই।
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী আত্মবিশ্বাসের সাথে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটি ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
আমি বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং একযোগে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতা কামনা করছি।
আল্লাহ আমাদের সবার সহায় হোন।
মোঃ মিজানুর রহমান মজুমদার
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
সকলে
আমরা নয়ন ফুটাই আলো জ্বালি সব প্রাণে।
নব-নব পথ চলতে শিখাই
জীবনের সন্ধানে।
পরের
ছেলেরে এমনি করিয়া শেষে
ফিরাইয়া
দেই পরকে আবার অকাতরে নিঃশেষে।
ঐতিহ্যবাহী আবিরপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন ১৯৫১ ইং সনে নোয়াখালী জেলার, সোনাইমুড়ী
উপজেলার পশ্চিম প্রান্তে আবিরপাড়া গ্রামে মহেন্দ্র খালের পাড় ঘেষে মনোরোম ও নিরিবিলি
প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত। অত্র বিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাশের হার এবং ক্রীড়া
ও সংস্কৃতি বিষয়ে বরাবর উল্লেখযোগ্য ভালো ফলাফল করে আসছে। বিদ্যালয়টি উপজেলা পর্যায়ে
শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে একবার মনোনীত হয়। এছাড়াও ২০১২ ইং সালে আন্তঃ ফুটবল
প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় রানার্স আপ অর্জন করে। একটি বিদ্যালয়ের প্রধান ভূমিকা থাকে শিক্ষার্থীর
মেধা, মনন ও প্রতিভার বিকাশ সাধন। এক্ষেত্রে শিক্ষা নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।
শিক্ষা মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এটি আমাদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। শিক্ষা
না হলে জীবন অস¤পূর্ণ থেকে যায়, শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ চারপাশের জগৎ স¤পর্কে জানতে পারে
এবং নতুন নতুন পথ চলতে শিখে। শিক্ষা আমাদের জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক সম্পর্ক এবং
চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেয়। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে এবং নিজেকে
আরও সমৃদ্ধ করে। শিক্ষা একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা প্রাপ্তির জন্য পরিশ্রম প্রয়োজন।
শিক্ষা সামাজিক দায়বদ্ধ নাগরিকের হাতে পৌঁছলে
সমাজ আরও উন্নত হতে পারে। শিক্ষিত লোকেরা সমস্যার সমাধান এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন
আবিষ্কার করতে সাহায্য করে। সবশেষে, শিক্ষা সমগ্র মানবজাতির মধ্যে একটি সামাজিক বন্ধন
তৈরি করে, যা ন্যায্যতা,প্রাপ্তি এবং মানবিক স¤পর্কের উন্নয়ন ঘটায়। যা সমগ্র বিশ্বে সামঞ্জস্যপূর্ণ
এবং উন্নত সমাজ ও জাতি গঠনে মাইলফলক হতে পারে।
